Smart Stock: Money Management

Share Market, Analysis, Learning, Tools, News, All in one place.

Showing posts with label Money Management. Show all posts
Showing posts with label Money Management. Show all posts

Thursday, September 13, 2018

Money Management(Bangla) - Part-02

7:24 PM 0
Money Management(Bangla) - Part-02


মানি ম্যানেজমেন্ট এর গুরুত্ব :


এ ধরণের পোস্ট অধিকাংশ ট্রেডার এড়িয়ে যান, কারণ এটা অনেকের কাছে বিরক্তিকর বিষয়। সকলে ট্রেডিং সিস্টেম নিয়ে ব্যস্ত। কিন্তু মানি ম্যানেজমেন্ট সমান গুরুত্ব বহন করে। শুধু ডিসিপ্লিন ও স্ট্রং মানি ম্যানেজমেন্ট মেনে চললে কম উইন রেইট (win rate) নিয়েও কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পাওয়া সম্ভব।

Win Rate হল ট্রেড সাফল্যে হার। আপনি ১০ টি ট্রেড করলে যদি ৬ টিতে সফল হন এবং বাকী ৪ টিতে ব্যর্থ হন, তবে আপনার উইন রেইট ৬০%। পৃথিবীর কোন ট্রেডারই ১০০% ভাগ সফল নন। লিজেন্ড ট্রেডারদের উইন রেইট সর্বোচ্চ ৭০ - ৮০%। আপনার উইন রেইট যদি মাত্র ৪০% হয়, তবুও স্ট্রং ডিসিপ্লিন ও মানি ম্যানেজমেন্ট মেনে চললে বছরান্তে চলনসই লাভ পেতে পারেন।

ট্রেডিং এ সাফল্য মানে সফল ট্রেডের মোট লাভ ব্যর্থ ট্রেডের মোট লস অপেক্ষা বেশি হওয়া। একটি উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি বুঝানোর চেষ্টা করছি :

ধরুন, আপনার ট্রেডিং একাউন্ট = ১০,০০,০০০/- টাকা।

'২% রুল' অনুযায়ী আপনি কোন ট্রেডে একাউন্ট এর ২% এর উপর রিস্ক নিতে পারবেন না। ধরা যাক আপনি ১% রিস্ক নেন এবং আপনার রিস্ক : রিওয়ার্ড = ১ : ৩। রিস্ক কন্ট্রোল করবেন স্টপ-লস দ্বারা এবং রিওয়ার্ড হচ্ছে প্রফিট টার্গেট। রিস্ক ও রিওয়ার্ড নির্ধারিত হবে পরিক্ষিত সাউন্ড ট্রেডিং সিস্টেম এর মাধ্যমে।

তাহলে,
প্রতি ট্রেডে রিস্ক এর পরিমান = ১০,০০,০০০ এর ১% = ১০,০০০ টাকা এবং রিওয়ার্ড = ১০০০০ x ৩ = ৩০,০০০ টাকা।

'৬% রুল' অনুযায়ী একসাথে ট্রেডিং একাউন্ট এর সর্বোচ্চ ৬% অর্থাৎ ১০,০০০,০০ এর ৬% = ৬০,০০০/- টাকার রিস্ক নিতে পারেন। প্রতি ট্রেডে ১০,০০০/- টাকা রিস্ক নিলে একসাথে সর্বোচ্চ ওপেন ট্রেডের সংখ্যা = ৬০০০০/১০০০০ = ৬ টি। কোন মাসে যদি ইতোমধ্যে ২ টি ট্রেডে লস খেয়ে থাকেন তবে আপনার ওপেন ট্রেডের সংখ্যা হবে = ৬ - ২ = ৪ টি। মাসের ১৫ বা ২০ তারিখের মধ্যে আপনি যদি ৬ টি লস খেয়ে থাকেন তবে আপনি মাসের বাকী সময়ে কোন ট্রেড করতে পারবেন না। Over trading is a financial suicide. বেশি বেশি ট্রেড করলেই বেশি লাভ - এ ধারণা ভুল। যাচাই-বাছাই পূর্বক কনফার্মেশন পূর্বক ট্রেড করতে হবে।

ধরা যাক, গড়ে মাসে আপনি ৫ টি ট্রেড করেন এবং আপনার উইন রেইট মাত্র ৪০%। তাহলে ১ মাসে সফল ট্রেড সংখ্যা = ২ টি ও ব্যর্থ ট্রেড সংখ্যা = ৩ টি।

মাসে সফল ট্রেডে মোট লাভ = ২ x ৩০,০০০ = ৬০,০০০ টাকা।
ব্যর্থ ট্রেডে মোট লস = ৩ x ১০,০০০ = ৩০,০০০ টাকা।
সুতরাং ১ মাসে গড়ে নীট লাভ = ৬০,০০০ - ৩০,০০০ = ৩০,০০০ টাকা।

আপনি যদি বছরের ১২ মাসে ১০ মাস ট্রেড করেন ও ২ মাস নিউট্রাল পজিশনে থাকেন, তবে আপনার বার্ষিক লাভ = ১০ x ৩০,০০০ = ৩,০০,০০০/- টাকা।

অর্থাৎ বার্ষিক মুনাফার হার = ৩,০০,০০০/১০,০০,০০০ x ১০০ = ৩০%

একইভাবে, আপনার উইন রেইট যদি ৫০% হয়, তবে বার্ষিক লাভের হার হবে = ৫০%

বার্ষিক লাভের হার এর চেয়ে বাড়াতে হলে দক্ষতার সাথে নিম্নের এক বা একাধিক ভেরিয়েবল বৃদ্ধি করতে হবে :

১. উইন রেইট
২. ট্রেড ফ্রিকোয়েন্সি
৩. রিস্ক এর পরিমান

এভাবে, আপনার দক্ষতা, প্রাপ্য সময় ও ট্রেডিং স্টাইল অনুযায়ী আপনার জন্য কমফোর্টেবল একটি 'ট্রেডিং প্ল্যান' তৈরি করে ফেলুন।


Courtesy By: SHAFIQUL ISLAM


 

Monday, September 10, 2018

Money Management(Bangla) - Part-01

12:16 AM 0
Money Management(Bangla) - Part-01


Money Management and Risk Control


পাবলিক ট্রেড করে মূলত ৪ কারনে - ১. মূল পেশা হিসাবে, ২. ২য় পেশা হিসাবে, ৩. শখে ও ৪. নেশায়। আপনি যদি যদি শেয়ারবাজার থেকে মুনাফা করতে চান তবে অবশ্যই আপনার মধ্যে পেশাদারিত্ব মনোভাব থাকতে হবে।


ট্রেডিং এ সাফল্যের ৩ টি মূল পিলার হল - ১. মার্কেট এনালাইসিস (টেকনিক্যাল অথবা ফান্ডামেন্টাল), ২. মানি ম্যানেজমেন্ট ও রিস্ক ম্যানেজমেন্ট, এবং ৩. সাইকোলজি (নিজের ও পাবলিকের)। ট্রেডিং এ আপনার সাফল্যের হার (Win Ratio) যদি মাত্র ৩০% এবং ৫০% এর মধ্যে থাকে, তবে সঠিকভাবে মানি ম্যানেজমেন্ট করে ধারাবাহিকভাবে মুনাফা অর্জন করা সম্ভব।


সরল মানি ম্যানেজমেন্ট ও ঝুকি হ্রাসের এর ধাপগুলি নিম্নে বর্ণনা করা হল :


১. প্রারম্ভিক একাউন্ট : বছরের শুরুতেই আপনার ট্রেডিং একাউন্ট নির্ধারণ করুন। এ ফান্ডটি আপনার নিত্ত প্রয়োজন মিটানোর পর সঞ্চিত অর্থ।


২. প্রতি ট্রেড এ রিস্ক নির্ধারণ : প্রতি ট্রেডে মোট একাউন্টের ২% বা ১.৫% বা ১% বা ০.৭৫% রিস্ক নিতে পারেন। তবে কোন অবস্থায় ২% এর বেশি রিস্ক নেয়া উচিত না।
2% rule : Don't risk more than 2% of your account equity on any one trade. 
উদাহরণ : আপনার একাউন্ট এর পরিমান ১০,০০,০০০/- টাকা হলে এবং আপনি একটি ট্রেডে ১.৫% রিস্ক নিলে ঐ ট্রেডে ঝুকির পরিমান ১৫০০০/- টাকা।


৩. স্টপ-লস নির্ধারণ : বিভিন্ন পদ্ধতিতে স্টপ-লস নির্ধারণ করা যায়। তবে সাপোর্ট লেভেল, ক্যান্ডেল প্যাটার্ন, ভলিউম, ভোলাটিলিটি ইত্যাদি অনুযায়ী স্টপ-লস নির্ধারণ করা উচিত। স্টপ-লসের পরিমান নির্ভর করে ট্রেডারের ট্রেডিং স্টাইল বা স্ট্রেটেজির উপর। অনেকে ৩% বা ৫% স্টপ-লস দেন।


৪. পজিসন সাইজ নির্ধারণ : একটি ট্রেডের রিস্ক এর পরিমান ও স্টপ-লস দারা পজিসন সাইজ নির্ণয় করা হয়।

উদাহরণ : ধরা যাক, একাউন্ট এর পরিমান = ১০,০০,০০০/- টাকা এবং একটি ট্রেডে রিস্ক এর পরিমান ১.৫% (কমিশন সহ)। তাহলে, ট্রেডে ঝুকির পরিমান (risk amount) = ১৫,০০০/- টাকা।
ধরা যাক, শেয়ারটি এন্ট্রি প্রাইস ১০০/- টাকা এবং স্টপ-লস ৯৭/- টাকা। তাহলে, একটি শেয়ারে লস = ১০০ - ৯৭ = ৩ টাকা।

এবং শেয়ারটি ক্রয় ও বিক্রয়ের কমিশন = ০.৫০ + ০.৫০ = ১.০০ টাকা হয়, তাহলে একটি শেয়ারে নীট লস (কমিশন সহ) = ৩.০০ + ১.০০ = ৪.০০ টাকা।
এখন, Trade size = Risk amount / Net loss per share

সুতরা, আপনার পজিসন/ট্রেড সাইজ হবে = ১৫০০০ /৪ = ৩৭৫০ টি। অর্থাৎ আপনি ঐ পজিসনের জন্য ৩৭৫০ টি শেয়ার কিনতে পারবেন।


৫. পোর্টফলিওতে একটিভ পজিসনের সংখ্যা নির্ধারণ : এ ক্ষেত্রে ৬% রুল ব্যাবহার করতে পারেন। অর্থাৎ যে কোন সময়ে আপনার একাউন্ট এর মোট ঝুকির পরিমান হবে ৬%।

6% rule : No new trades will be opened for the remainder of the month if the sum of your losses for the current month, and the risk in open trades, hits 6% of your total account equity.

যদি কোন মাসে মোট লস ও ওপেন ট্রেডের রিস্ক এর সমষ্টি মোট একাউন্ট ইকুইটির ৬% এর বেশি হয়, তবে ঐ মাসের বাকী সময়ে নতুন কোন ট্রেড করা যাবে না।

ধরুন, আপনার মোট একাউন্ট ইকুইটি ১০,০০,০০০/- টাকা, তবে এক মাসে সর্বোচ্চ লসের লিমিট পরিমাণ হবে ইকুইটির ৬%, অর্থাৎ ৬০,০০০/- টাকা। এর বেশি লস হলে ঐ মাসে ট্রেড বন্ধ করে দিতে হবে।

আপনি যদি একটি পজিসন বা ট্রেডে একাউন্ট এর ২% ঝুকি নেন, তবে একসাথে সর্বাধিক ওপেন পজিসন সংখ্যা হবে = ৬/২ = ৩ টি। আর ১.৫% ঝুকি নিলে সর্বাধিক ওপেন পজিসন সংখ্যা হবে ৪ টি এবং একটি ট্রেডে ১% ঝুকি নিলে সর্বাধিক পজিসন সংখ্যা হবে ৬ টি।

এখন ইতোমধ্যে কোন মাসে যদি ২০,০০০/- টাকা লস খেয়ে থাকেন তবে, ঐ মাসের বাকী সময়ের অন্য মাত্র ৬০,০০০ - ২০,০০০ = ৪০,০০০ টাকার ঝুঁকি নিতে পারবেন।


৬. রিস্ক-রিওয়ারড রেশিও : রিস্ক-রিওয়ারড রেশি অন্তত ১ : ৩ এবং ১ : ২ এর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত। রিস্ক এর তুলনায় রিওয়ার্ড এর চেয়ে কম হলে ট্রেডটি এড়িয়ে যেতে হবে।
Risk = Entry - Stop
Reward = Target - Entry
ধরুন, একটি স্টক এর সাপোর্ট লেভেল = ৯৮ টাকা।
এন্ট্রি প্রাইস = ১০০ টাকা।
টার্গেট (রেজিস্ট্যান্স, ইত্যাদি) = ১০৯ টাকা ও
স্টপ লস = ৯৭ টাকা।
তাহলে,
রিস্ক = ১০০ - ৯৭ = ৩ টাকা।
রিওয়ার্ড = ১০৯ - ১০০ = ৯ টাকা।
অতএব, রিস্ক : রিওয়ার্ড = ৩ : ৯ = ১ : ৩

৭. ট্রেইলিং স্টপ : দক্ষভাবে প্রফিট টেকের জন্য খুবই কার্যকর পন্থা। তবে এটা পার্সেন্ট দিয়ে নির্ধারণ না করে ক্যান্ডেল, ভলিউম, ট্রেন্ডলাইন ইত্যাদির উপর নির্ভর করে নির্ধারণ করা ভাল।


৮. স্কেলিং ইন ও স্কেলিং আউট : এটা এন্ট্রি ও এক্সিট (প্রফিট টেকিং) এর সাইজ ক্রমান্বয়ে হ্রাস-বৃদ্ধির পদ্ধতি। দক্ষভাবে করতে পারলে মুনাফা বৃদ্ধি করে এবং ঝুকি কমায়।


 Courtesy By : Shafiqul Islam